Pages

Sunday, 21 May 2017

দুর্বা ঘাস বেটে ত্বকে লাগান, ঘামাচি, ফুসকুড়ি নিমেষে উধাও

ঘামাচি , ফুসকুড়ি প্রভৃতি বিভিন্ন সমস্যায় নাজেহাল হয়ে যেতে হয়। কিন্তু কীভাবে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন? জেনে নিন-
গরমকাল পড়লেই ত্বকে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। ঘামাচি , ফুসকুড়ি প্রভৃতি বিভিন্ন সমস্যায় নাজেহাল হয়ে যেতে হয়। কিন্তু কীভাবে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন? জেনে নিন-
দুর্বা ঘাস। এই জিনিসটার উপকারিতা আমরা অনেকেই জানি না। দুর্বা ঘাস এবং হলুদের একটি পেস্ট তৈরি করে সেটি ত্বকে ব্যবহার করুন।
নিম পাতা সবসময়ই দারুণ অ্যান্টি ব্যাক্টেরিয়াল উপাদান হিসেবে কাজ করে। ত্বকে ফুসকুড়ি হলে সেই জায়গায় নিমপাতার পেস্ট তৈরি করে ব্যবহার করুন। খুব উপকার পাবেন।
 ত্বককে সুন্দর রাখতে আমরা অনেকেই চন্দন ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু জানেন কি চন্দন শুধু ত্বকের ঔজ্জ্বল্যই বাড়ায় না, তার সঙ্গে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যাও প্রতিরোধ করে। এক চামচ চন্দনের সঙ্গে গোলাপ জল মেশান। এরপর মিশ্রনটি ত্বকে ব্যবহার করুন।
অ্যান্টি ব্যাক্টেরিয়াল উপাদান হিসেবে হেনা পাতাও খুবই উপকারী। ত্বককে ভালো রাখতে, ঘামাচি , ফুসকুড়ি থেকে মুক্তি পেতে হেনা পাতা ব্যবহার করুন।
রোদ গরমের ফলে ত্বকের সমস্যা হলে ত্বকে দই লাগান। দই শুকিয়ে গেলে ভালো করে স্নান করে নিন।

চায়ের সঙ্গে টা মানেই মুড়ি! ওজনও কমবে, ব্লাড প্রেসারও থাকবে নিয়ন্ত্রণে

বদলাতে হবে চায়ের সঙ্গে টায়ের সংজ্ঞা। মুড়ি খান। প্রচুর উপকার।
চায়ের সঙ্গে টা মানেই কি বিস্কুট? বিস্কুটের বদলে মুড়ি খান। মেদ কমায় মুড়ি।
বদলাতে হবে চায়ের সঙ্গে টায়ের সংজ্ঞা। মুড়ি খান। প্রচুর উপকার। এমনটাই বলছেন চিকিত্সকরা। (আরও পড়ুনঃ দুর্বা ঘাস বেটে ত্বকে লাগান, ঘামাচি, ফুসকুড়ি নিমেষে উধাও)
কম ক্যালরির পেট ভরানোর খাবার মানেই মুড়ি। যাঁদের বার বার খিদে পায়, অথচ সারাদিনে বেশিরভাগ সময়ে অফিসে বা বাড়িতে বসে কাজ করার জন্য শরীরে ক্যালরির চাহিদা কম, তাঁদের জন্য লাঞ্চ ও ডিনারের মাঝখানে বিকেল বা সন্ধের দিকে মুড়ি হতে পারে আদর্শ খাবার।
১ কাপ অর্থাত্‍ ১৪ গ্রাম মুড়িতে রয়েছে ৫৬ ক্যালরি। কার্বোহাইড্রেটস ১২.৬ গ্রাম, প্রোটিন ১ গ্রাম, ফ্যাট মাত্র ০.১ গ্রাম, ফাইবার ০.২ গ্রাম, পটাসিয়াম ১৬ মিলিগ্রাম, আয়রন ৪.৪৪ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম ৪ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ১৪ মিলিগ্রাম, থিয়ামাইন ০.৩৬ মিলিগ্রাম এবং নিয়াসিন ৪.৯৪ মিলিগ্রাম।

ওজন কমাতে সাহায্য করে মুড়ি।
সোডিয়ামের পরিমাণ অত্যন্ত কম থাকার কারণে ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণ করে।
অনেকটা জল টেনে নেয় বলে পেট ভরে থাকে দীর্ঘক্ষণ।
পেটের গোলমালে শুকনো মুড়ি বা জলে ভেজা মুড়ি খেলে উপকার।
ভিটামিন B ও মিনারেল প্রচুর পরিমাণে থাকার কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কমায়।
সকাল-সন্ধে চায়ের সঙ্গে বিস্কুট নয়, মুটিয়ে যেতে না চাইলে আরও বেশি মুড়ি খান।

পেইনকিলার ছাড়ুন, ঘরোয়া উপায়েই নিমেষে মুক্তি পান কোমর ‌যন্ত্রণা থেকে

বেশিরভাগ মানুষই কোমরের ব্যথায় কষ্ট পান, জেনে নিন কীভাবে মুক্তি পাবেন
এখন বেশিরভাগ মানুষই কোমরের ব্যথায় কষ্ট পান। অনেক ডাক্তার দেখিয়েও বিশেষ কোনও উপকার পান না। তবে কিছু জিনিস মেনে চললে এই যন্ত্রণাদায়ক কোমরের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। জেনে নিন সেগুলি
প্রত্যেকদিন শারীরিক কিছু কসরত করলে কোমরের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
কোমরের ব্যথা সারাতে স্ট্রেচিং খুবই দরকারি। তাতে কোমর ফ্লেক্সিবেল থাকে। যন্ত্রণাও থাকে না।
 শরীর সুস্থ রাখার জন্য উপযুক্ত পরিমানে ঘুম খুবই জরুরি। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অবশ্যই ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন।
 আপনার উচ্চতা অনু‌যায়ী নির্দিষ্ট ওজনের পর আর স্থূলতা বাড়তে দেবেন না

১২ ঘণ্টা একটানা কাজ, শরীরের বারোটা কিন্তু বাজছে, জেনে নিন কী করবেন, বেশি করে জল খান

Working 12 hours? Here are some new tips to stay healthy
বর্তমানে আমরা যেন ছুটছি সবাই l এ ঘরের কাজ হোক কিম্বা বাইরের l সকালে ওঠা থেকে শুরু করে রাতে ঘুমোতে যাওয়া পর্যন্ত, সবাই যেন ছুটে চলেছি l কেউ তো আবার ঘর, অফিস দুটি সামলাচ্ছেন সবান ভাবে l কখনও কখনও তো কাজের চাপে সময়ের যেন খেয়াল থাকে না l একটানা কখনও ১০ ঘন্টা কখনও আবার ১২ ঘণ্টা কাজ করে ফেলছেন l আর তাতেই শরীরের বারোটা বাজছে আপনার l কিন্তু, আপনি বলবেন, কাজ তো করতেই হয়, তাহলে কীভাবে শরীর ভাল রাখবেন?
আজ আমরা আপনাদের সেই টিপসই দেব l যাঁরা প্রায়শই ১০, ১২ ঘণ্টা একটানা কাজ করছেন, তাঁরা কীভাবে শরীর ভাল রাখবেন l রোগ থেকে দূরে থাকবেন l
আরও দেখুন : হৃদরোগ থেকে দূরে থাকতে চান, নিয়মিত মাখন খান..
একটানা কাজ করলেও, মাঝে মধ্যে বাইরে বের হন l সূর্যের আলো গায়ে লাগান l বলবেন, এত তীব্র গরমে কিভাবে সূর্যের অআলো গায়ে লাগাবেন, তাই তো? কিন্তু, ভুলে যাবনে না, সূর্যের আলোয় ভিটামিন ডি রয়েছে l তাই, সূর্যের আলো শরীরে লাগানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে l
একটানা কাজ করছেন আর মাঝে মাঝে সুখটান দিচ্ছেন? বলবেন, চাপ কমাতে ওই কাজ করছেন l কিন্তু, এখনই সব বন্ধ করুন l চাপ কমাতে ধূমপানের আশ্রয় নেবেন না l
সারাদিন কাজ করার পর, একটু হাটাহাটি করুন l বাইরে না হলেও, ঘরের মধ্যেই হাটুন l টিভি দেখছেন, তখন হাটুন l ফোনে কথা বলার সময়ও একটু হেটে নিন l কিম্বা, অকারণেই হেটে নিন l লিফ্ট নয়, সিঁড়ি ব্যবহার করুন l এতে শরীর ভাল থাকবে l
জল খান বেশি করে l স্বাস্থ্য, চুল, ত্বক ভাল রাখতে বেশি বেশি করে জল খান l শুধু তাই নয়, প্রতিদিন যদি পরিমাণমত জল খান, তাহলে ওজন কমাতেও তা সাহায্য করে l
ভাল করে ঘুমতে হবে l শরীর ভাল রাখতে গেলে, কমপক্ষে ৮ ঘণ্টা ঘুম কিন্তু জরুরি l তাই ঘুমনোর সময় ফোনে ব্যস্ত হবেন না l ল্যাপটপ, টিভি থেকে দূরে থাকুন l
শরীর সুস্থ রাখতে ফল খান বেশি করে l বিশেষ করে আপেল l পাশপাশি ফলে যেমন ভিটামিন থাকে, তেমনি মিনারেলেও তা ভরপুর থাকে l তাই সুস্থ থাকতে এবার থেকে প্রতিদিন একটি করে ফল খেতেই হবে আপনাকে l

প্রতিদিন একগ্লাস করে ধনেপাতার জুস খেলেই কিডনির অসুখকে বাই বাই!

কিডনি পরিস্কারের মোক্ষম ওষুধ ধনেপাতা, জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টোটকা
তেল, ঝাল, মশলা সব ‌যাচ্ছে পেটে। কিন্তু রোজ কিডনি পরিষ্কার হচ্ছে কি? দেখুন, কিডনি পরিষ্কারের ঘরোয়া টোটকা।
কিডনি পরিস্কারের মোক্ষম ওষুধ ধনেপাতা
পরিষ্কার জলে ধুয়ে নিতে হবে একআঁটি ধনেপাতা।
কুচি কুচি করে কেটে পাত্রে রাখতে হবে ধনেপাতা।
পাত্রে কিছুটা পরিষ্কার জল নিয়ে ১০ মিনিট ফোটাতে হবে।
ঠান্ডা হলে ছেঁকে পরিষ্কার বোতলে রাখতে হবে।
ফ্রিজে রেখে দেওয়া যেতে পারে ওই বোতল।
প্রতিদিন একগ্লাস করে ধনেপাতার জুস খেলেই হাতেনাতে মিলবে ফল। কিডনির মধ্যে জমে থাকা নুন এবং বিষাক্ত পদার্থ প্রস্রাবের মাধ্যমে বেরিয়ে যাবে। শুধু কিডনিই নয়। ধনেপাতা মহৌষধ। একআঁটি ধনেপাতায় রয়েছে ১১% ফাইবার, ৪% প্রোটিন, ১% ক্যালরি, ১% কার্বোহাইড্রেট, ১% ফ্যাট। ম্যাঙ্গানিজ ২১%, পটাসিয়াম ১৫%, কপার ১১%, আয়রন ১০%, ক্যালসিয়াম ৭%। এতে রয়েছে ৩৮৮% ভিটামিন k, ১৩৫% ভিটামিন A, ৪৫% ভিটামিন C, ১৬% ফলেট।
ধনেপাতায় হাজার গুণ। এগজিমা সারায়, বমিভাব কমায়, পেটের গন্ডগোল কমায়, আলসার সারায়, সতেজ হয় শ্বাস-প্রশ্বাস, হজমে সাহায্য করে, ব্লাড প্রেশার কমায়, অ্যানিমিয়া কমায়, ডায়াবেটিসে প্রচুর উপকার মেলে। হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল রাখে।

সারায় পিম্পল থেকে ক্যান্সার, আমের গুণ জানলে প্রেম হবে আরও রসাল


আমের ১০টা গুণ
আমের মরশুম চলছে পুরোদমে। তার ওপরে এবার আমের ফলন হয়েছে ৩০ শতাংশেরও বেশি। ফলে চারিদিকে আমের ছড়াছড়ি। গরমের বিকেলে পা ছড়িয়ে বসে হিমসাগরের আঁটি চোষার সুখ শুধু বাঙালিই জানে। কিন্তু জানেন কি আম খাওয়ার কত উপকারিতা? শুনলে আমে প্রেম আরও রসাল হবে।

১. ক্যান্সাররোধক
গবেষণা বলছে, আমে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট। ‌যা কোলন, স্তন ও প্রস্টেট ক্যান্সার এবং লিউকেমিয়া প্রতিরোধে সাহা‌য্য করে।

২. কলেস্টেরল কমায়
আমে প্রচুর ফাইবার, পেকটিন ও ভিটামিন সি থাকায় রক্তরসে কোলেস্টেরলের স্তর কমায়। বিশেষ করে ক্ষতিকারক কম ঘনত্ব‌যুক্ত লাইপোপ্রোটিনের মাত্রা কমায়।

৩. ত্বকে জেল্লা বাড়ায়
আম খেলে ত্বকের পোরস খুলে ‌যায়। ফলে পিম্পলস থেকে মুক্তি মেলে। তাড়াতাড়ি ফল পেতে চাইলে মেখেও দেখতে পারেন।



৪. চোখের দীপ্তি বাড়ায়
একটা পাকা আম সারাদিনে একটা মানুষের ‌যত ভিটামিন এ দরকার হয় তার ২৫ শতাংশ সরবরাহ করে। ‌যা চোখের দীপ্তি বাড়ায়, রাতকানার মতো রোগ দূরে রাখে।

৫. শরীরের ক্ষারত্ব বাড়ায়
আমে টার্টারিক অ্যাসিড, ম্যালিক অ্যাসিড ও ট্রেসার মৌল থাকে। এই উপাদানগুলি শরীরের ক্ষারত্ব রক্ষা করতে সাহা‌য্য করে।

৬. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে
আম শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহা‌য্য করে। রাতে আম পাতা সিদ্ধ করে রেখে দিন। সকালে ছেঁকে জলটা খেয়ে ফেলুন উপকার পাবেন। আমের গ্লাইসিমিক ইনডেক্স কম হওয়ায় রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ার তেমন সু‌যোগ নেই।


৭. প্রজনন ক্ষমতা বাড়ায়
আমে প্রচুর ভিটামিন ই থাকে। ভিটামিন ই‌ ‌যৌন উত্তেজনা ও প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে।

৮. হজম ভাল করে
পেঁপের মতো আমেও এমন উৎসেচক থাকে ‌যা প্রোটিনকে ভাঙতে সাহা‌য্য করে। তাছাড়া আমে থাকা তন্তুও হজমে সাহা‌য্য করে।

৯. হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচায়
কাঁচা আমের সরবৎ শরীর ঠান্ডা করে। ফলে গরমে সান স্ট্রোকের হাত থেকে বাঁচতে কাজে লাগাতেই পারেন এই টোটকা।

১০. রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়
আমে থাকা ভিটামিন এ, ভিটামিন সি ও ২৫ রকমের ক্যারোটিনয়েড দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

ওজন তো নিয়ন্ত্রণ করেই, জানেন কি ক্যান্সার প্রতিরোধেও মিষ্টি কুমড়োর কামাল?

জেনে নিন মিষ্টি কুমড়োর গুণাগুণ
ছোলা দিয়ে রসিয়ে কুমড়োর ছক্কা কিংবা পুইশাক-কুমড়োর চচ্চড়ি। কুমড়োর স্যুপ হোক বা শেষ পাতে কুমড়োর হালুয়া। সবই ‌যেন খুবই রসালো। কিন্তু জানেন কি হার্টের রোগ থেকে ডায়াবেটিস। কুমড়ো কাজ করে ম্যাজিকের মতো। তাছাড়াও চিকিৎসকদের দাবি, মিষ্টি কুমড়ো নাকি ক্যান্সারও প্রতিরোধ করে।
জেনে নিন মিষ্টি কুমড়োর গুণাগুণ

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যানসার প্রতিরোধ করে। কোলেস্টেরল কমায়। ধমনীর দেওয়ালে চর্বির স্তর জমতে বাধা দেয়।
ভিটামিন A, বিটাক্যারোটিন চোখের জন্য খুব ভাল। রেটিনার বিভিন্ন অসুখ প্রতিরোধ করে মিষ্টি কুমড়ো।
বিটাক্যারোটিন শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডন্ট। শরীরের ফ্রি রেডিক্যাল ড্যামেজ প্রতিরোধ করে। বিভিন্ন দূষণ, স্ট্রেস ও খাবারে যেসব কেমিক্যাল ও ক্ষতিকর উপাদান থাকে, সেগুলোর কারণে ফ্রি রেডিক্যাল ড্যামেজ হতে শুরু করে। শরীরের কোষ নষ্ট হতে শুরু করে। খারাপ কোষের সংখ্যা বাড়তে থাকে। এসব প্রতিরোধ করে মিষ্টি কুমড়ো
মিষ্টি কুমড়োর ভিটামিন C সর্দি-কাশি, ঠান্ডা লাগা প্রতিরোধ করে। ভিটামিন A ও C চুল ও ত্বক ভাল রাখে। চুল রাখে উজ্জ্বল, ত্বক রাখে টানটান। বার্ধক্য আটকায় মিষ্টি কুমড়ো।
 মিষ্টি কুমড়োয় ফাইবার ও পটাসিয়াম প্রচুর। ফাইবার খিদে নিয়ন্ত্রণ করে।শরীর থেকে অপ্রয়োজনীয় জল ও নুন বের করে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে।
সুগারের পেশেন্ট হলেও চিন্তার কোনও কারণ নেই। চোখ বুজে মিষ্টি কুমড়ো খান।