আমের ১০টা গুণ
আমের মরশুম চলছে পুরোদমে। তার ওপরে এবার আমের ফলন হয়েছে ৩০ শতাংশেরও বেশি। ফলে চারিদিকে আমের ছড়াছড়ি। গরমের বিকেলে পা ছড়িয়ে বসে হিমসাগরের আঁটি চোষার সুখ শুধু বাঙালিই জানে। কিন্তু জানেন কি আম খাওয়ার কত উপকারিতা? শুনলে আমে প্রেম আরও রসাল হবে।
১. ক্যান্সাররোধক
গবেষণা বলছে, আমে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট। যা কোলন, স্তন ও প্রস্টেট ক্যান্সার এবং লিউকেমিয়া প্রতিরোধে সাহায্য করে।
২. কলেস্টেরল কমায়
আমে প্রচুর ফাইবার, পেকটিন ও ভিটামিন সি থাকায় রক্তরসে কোলেস্টেরলের স্তর কমায়। বিশেষ করে ক্ষতিকারক কম ঘনত্বযুক্ত লাইপোপ্রোটিনের মাত্রা কমায়।
৩. ত্বকে জেল্লা বাড়ায়
আম খেলে ত্বকের পোরস খুলে যায়। ফলে পিম্পলস থেকে মুক্তি মেলে। তাড়াতাড়ি ফল পেতে চাইলে মেখেও দেখতে পারেন।
৪. চোখের দীপ্তি বাড়ায়
একটা পাকা আম সারাদিনে একটা মানুষের যত ভিটামিন এ দরকার হয় তার ২৫ শতাংশ সরবরাহ করে। যা চোখের দীপ্তি বাড়ায়, রাতকানার মতো রোগ দূরে রাখে।
৫. শরীরের ক্ষারত্ব বাড়ায়
আমে টার্টারিক অ্যাসিড, ম্যালিক অ্যাসিড ও ট্রেসার মৌল থাকে। এই উপাদানগুলি শরীরের ক্ষারত্ব রক্ষা করতে সাহায্য করে।
৬. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে
আম শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। রাতে আম পাতা সিদ্ধ করে রেখে দিন। সকালে ছেঁকে জলটা খেয়ে ফেলুন উপকার পাবেন। আমের গ্লাইসিমিক ইনডেক্স কম হওয়ায় রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ার তেমন সুযোগ নেই।
৭. প্রজনন ক্ষমতা বাড়ায়
আমে প্রচুর ভিটামিন ই থাকে। ভিটামিন ই যৌন উত্তেজনা ও প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে।
৮. হজম ভাল করে
পেঁপের মতো আমেও এমন উৎসেচক থাকে যা প্রোটিনকে ভাঙতে সাহায্য করে। তাছাড়া আমে থাকা তন্তুও হজমে সাহায্য করে।
৯. হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচায়
কাঁচা আমের সরবৎ শরীর ঠান্ডা করে। ফলে গরমে সান স্ট্রোকের হাত থেকে বাঁচতে কাজে লাগাতেই পারেন এই টোটকা।
১০. রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়
আমে থাকা ভিটামিন এ, ভিটামিন সি ও ২৫ রকমের ক্যারোটিনয়েড দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।




No comments:
Post a Comment
Note: only a member of this blog may post a comment.